অনলাইন থেকে আয় করতে চান! অনলাইনে ইনকামের সেরা 5টি মাধ্যম

যারা চিন্তা করছেন অনলাইন থেকে আয় করবেন বা কীভাবে করবেন তা বুঝতে পারছেন না, মূলত তাদের জন্যই আজকের এই পোস্ট। নিচে অনলাইন থেকে ইনকাম করার কিছু উপায় বর্ণনা করা হলো:

একটা ইউটিউব চ্যানেল শুরু করা:

হ্যাঁ বন্ধুরা আপনারা চাইলে একটা ইউটিউব চ্যানেল শুরু করতে পারেন। বর্তমান যুগে ইউটিউব অনেকে দেখে এবং সেখান থেকে অনেক কিছু শিখে। আপনি চাইলে আপনার হাতের অ্যান্ড্রয়েড ফোনটা দিয়ে ইউটিউবিং শুরু করতে পারেন। আপনি অনেক প্রকার কনটেন্ট বানাতে পারেন। উদাহরণ হিসেবে বলতে গেলে আপনি চাইলে ব্লগিং শুরু করতে পারেন আপনি চাইলে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ রিভিউ করতে পারেন। আরো অনেক ইউটিউব থেকে ইনকাম এর বিষয় আছে।

আপনারা যদি জানতে চান কোন কোন বিষয় এখন বর্তমানে খুব জনপ্রিয় এবং খুব ভালো ইনকাম করা যায় ওই বিষয়গুলো থেকে তাহলে কমেন্ট বক্সে অবশ্যই বলবেন আমি চেষ্টা করব সেই সম্পর্কে পোস্ট দেওয়ার জন্য।

ফ্রিল্যান্সার:

এই বিষয়ে যত বলা হবে তাও কম পড়ে যাবে। এটা এমন একটা বিষয় বর্তমানে খুব জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের বেকার যুবকরা এই পেশায় নিয়োজিত। যারা এই পেশায় অনেক ভালো করতে পারবেন তারা তাদের জীবনে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবেন কারণ বর্তমান যুগ ডিজিটাল যুগ। 

সবাই সবকিছু এখন ঘরে বসে অনলাইনে করতে চায়। আপনার একটা ওয়েবসাইট দরকার আপনার একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট দরকার বা আপনি চাচ্ছেন কাউকে পড়াতে, এই সব কিছুর জন্যই আপনি অনলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন যেখানে আপনাকে সাহায্য করার জন্য আছে অনেক ফ্রিল্যান্সার।

আপনার কোন ওয়েবসাইট দরকার তাহলে আপনি ফাইবার freelancer.com এবং কি upwork.com এ যেতে পারেন। যেখানে আপনি চাইলেই দেশের বাহিরে অনেক দক্ষ কর্মীরা আছে তাদের দিয়ে কাজ করাতে পারবেন এবং বাংলাদেশেও অনেক ভালো দক্ষ ফ্রিলান্সার আছে তাদের দিও আপনি কাজ করাতে পারবেন। এখন ভাবুন তো এত এত সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও আপনি যদি ফ্রিল্যান্সারদের জায়গায় বসেন তাহলে আপনার কি পরিমান ইনকাম আসতে পারে অনলাইন থেকে। আশা করি বুঝতে পারছেন ডিজিটাল যুগ চলে যাচ্ছে ধরুন তাড়াতাড়ি।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্বন্ধে সবাই অনেক কিছু জানেন এখনকার যুগটাই প্রতিযোগিতার যুগ সব কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট সেল করতে চায় কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণ লোক বা ব্যবস্থা না থাকার কারণে তাদের পণ্যগুলো কাঙ্খিত গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে পারেনা। তার জন্য এসব কোম্পানি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম চালু করে। উদাহরণ হিসেবে ধরতে গেলে কিসের উদাহরণ দিয়ে আমাদের বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় daraz.com এর অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম।

আপনারা চাইলে বাংলাদেশের এই প্রোডাক্ট গুলো বাংলাদেশের মানুষের কাছে সেল করে একটা প্যাসিভ ইনকাম করে নিতে পারেন দারাজ থেকে। এখন বলতে পারেন এর জন্য তো ওয়েবসাইট দরকার আরে ভাই ওয়েবসাইট লাগেনা ফেসবুক আছে ফেসবুকে পেজ ক্রিয়েট করে আপনি চাইলে আপনার পণ্যগুলো আপনার বন্ধু-বান্ধব এবং আশেপাশের ছড়াতে পারবেন। এছাড়াও জনপ্রিয় আরেকটি আফিলিয়েট মারকেট হল amazon.com। হ্যাঁ amazon.com বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় একটা ই-কমার্স কোম্পানি।

তেলে ভেবে দেখুন এত বড় কোম্পানির সাথে আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ কাজ করেন তাহলে কেমন প্রোডাক্ট সেল হতে পারে এবং কেমন ইনকাম হতে পারে দেরি করছেন কেন ঝাঁপিয়ে পড়ুন।

সার্ভের কাজ করা বা অ্যাড দেখা:

আধুনিক যুগে কোম্পানির প্রচার টা এতই বেশি হয়ে গেছে যে, মনে হয় গ্রাহকই শেষ কোম্পানির প্রচারের জন্য আসলে বিষয়টা এমন না বিষয়টা কোম্পানির প্রচারের জন্য আপনারা ওই কোম্পানির কাছ থেকে যেগুলো আছে সেগুলো নিয়ে আপনি দেখতে পারেন এবং আপনি চাইলে আমাদের দেখাতে পারেন। যার মাধ্যমে ওই কোম্পানিটি আপনাকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে এমাউন্ট দেবে উনাদের অ্যাড প্রচার করার জন্য।

আর একটা ভালো উপায় কি জানেন এই পদ্ধতিতে সেটা হলো আপনি চাইলে ওই কোম্পানির সাথে ডিল করে এই অ্যাড গুলো আপনি আপনার অন্যান্য কে দেখিয়ে আপনারা এর কিছু অংশ ওই লোকগুলো দিলে আপনার কিন্তু ভালো একটা ব্যবসা দাঁড়িয়ে যায়। আর এই ব্যবসাটা ইতিমধ্যে বাংলাদেশের অনেকে করছে এবং অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছে।

নিজের কিছু জিনিস বিক্রি করা:

দেখুন বর্তমান সময়ে আপনাকে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না জিনিসটা নিয়ে নিন জিনিসটা নিয়ে নিন আপনি ঘরে বসে কয়েকটা ছবি তোলার মাধ্যমে রোগীদের দেখাতে পারেন জিনিসটা কেমন এবং আপনি কত দামে জিনিস টা বিক্রি করতে চান এবং পাঠাতেও চিন্তা করতে হবেনা বাংলাদেশের অনেক কুরিয়ার সার্ভিস বর্তমানে আছে।

আপনি যে জিনিসটা সবচেয়ে ভালো বানাতে পারেন মানে আপনার ঘরে বা আপনার যদি কোনো ছোটখাটো দোকান থাকে আপনি সেখান থেকে পণ্যগুলোর ছবি তুলে ফেসবুকে পেজের মাধ্যমে আপনি সেটা বিক্রি করতে পারেন। ভেবে দেখুন এই ভাবে আপনার লাভটা কিন্তু হানডেট পারছেন আপনার নিজেরই। অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ আপনি অন্যের প্রোডাক্ট নিয়ে সেল করতে এবং কিছু পরিমাণ কমিশন পেতেন কিন্তু এখানে প্রোডাক্টটা আপনার একান্তই নিজের সুতরাং যা ইনকাম হবে সেটা পুরোটাই আপনার প্রফিট।

সো বুঝতেই পারছেন এই অনলাইন জগত অর্থাৎ 2022 সাল আমাদের জন্য কতটুকু উপকারী।

ব্লগ রাইটিং:

হ্যাঁ যারা নতুন তারা এত কিছু বোঝেন না বাংলায় লেখা লেখি তো করতে পারেন তাহলে বসে আছেন কেন এই ওয়েবসাইটে আপনারা চাইলে বাংলা লেখালেখি করে ইনকাম করতে পারবেন এবং অবশ্যই শেয়ার করতে হবে কারণ এখানে আপনাকে বিষয়ের উপরে টাকা দেওয়া হবে এবং আপনার লেখার দক্ষতা উপরে। আপনি যত সুন্দর লিখবেন পাঠকেরা পড়তে ততই আগ্রহী হবে এবং আপনার ইনকাম ততই বেড়ে যাবে কি মজার না।

আসলে এভাবে যদি বলতে শুরু করি এরকম হাজারো এই আছে অনলাইন থেকে ইনকাম করার সত্যি কথা বলতে আপনাদের ধৈর্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এই অনলাইন ইনকামের দুনিয়ায় আপনারা চাইলে একবারে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতে পারবেন না আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য ধরতে হবে এবং সঠিক উপায়ে কাজ করে যেতে হবে দেখবেন একদিন সফল হচ্ছেন এবং সেইদিন আর পিছে ফিরে তাকাতে হবে না আপনাকে।

আর বিশ্বাস করুন আপনি যেদিন সফল হবেন হয়তোবা আমার পোস্টটা দেখে আপনি অনুপ্রেরণা পেয়েছেন কিন্তু সত্যি কথা বলতে এই পোস্টের কোথাও আপনার মনে থাকবে না। এতে আমার বিন্দু পরিমান আফসোস নেই আপনার কাছে একটা অনুরোধ যদি ভালো লেগে থাকে নিচে কমেন্ট বক্সে অবশ্যই ভুলে যাবেন ভাইয়া ভাল লেগেছে ধন্যবাদ।

Enjoyed this article? Stay informed by joining our newsletter!

Comments

You must be logged in to post a comment.

লেখক সম্পর্কেঃ